রোববার , ১১ অক্টোবর ২০২৬
Sunday , 11 October 2026
২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

প্রকাশিত: ১৮:৩৬, ৪ অক্টোবর ২০২৬

নড়িয়ার সুরেশ্বরে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সফিকুর রহমান কিরণ

আমাদের এক ইঞ্চি মাটিও যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়, সে জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: এমপি সফিকুর রহমান কিরণ

নড়িয়ার সুরেশ্বরে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সফিকুর রহমান কিরণ

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ সফিকুর রহমান কিরণ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যার পর তিনি সুরেশ্বর মাছ বাজারসহ নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে নদীভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে সুরেশ্বর মাছ বাজার এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে বাজার ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙন আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদ হোসেন, নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম খান, শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম এ হামিদ, শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিল্টন হোসেন এবং নড়িয়া উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরণ বলেন, আমাদের এক ইঞ্চি মাটিও যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়, সে জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলমান রয়েছে। সার্ভের মাধ্যমে চিহ্নিত এলাকায় এক সপ্তাহ জরুরি কাজ চালানো গেলে নদীভাঙন থেকে এলাকা রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করছি। রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিলটন হোসেন বলেন, ফাটল ধরা বাঁধের ৫০ মিটার অংশের মধ্যে ২০ মিটার ধসে পড়েছে। আমরা ইতোমধ্যে ভাঙন ঠেকাতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করছি। আগামীকালের মধ্যে পুরোদমে জিওব্যাগ ডাম্পিং কাজ শুরু হবে।

স্থানীয়রা নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তীর রক্ষা বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

আলোচিত খবর