অ্যাওয়ার্ড ও ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ, স্বীকৃতিতে অভিভূত
এই স্বীকৃতি পেয়ে আমি সত্যিই অভিভূত ও কৃতজ্ঞ। আমার বিশ্বাস, আমার অনেক জ্যেষ্ঠ সহকর্মী রয়েছেন, যাঁরা আমার চেয়ে অনেক বেশি এবং দীর্ঘ সময় ধরে অবদান রেখেছেন। তাঁদের অনেকেই এ ধরনের স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য।
তবুও গত ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গণমাধ্যমে আমার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশ ফাউন্ডেশন আমাকে ‘এক্সিলেন্স ইন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেছে। এ সম্মাননা পেয়ে আমি সত্যিই অভিভূত ও আনন্দিত। আশা করি, এই স্বীকৃতি ব্রিটিশ বাংলাদেশি গণমাধ্যমে কাজ করা অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।
যদিও বর্তমানে আমি সরাসরি সাংবাদিকতার মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নই, তবে ভিন্নভাবে গণমাধ্যমের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার ও নির্বাহী মেয়রের জন্য বিএএমই (BAME) গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি।
বার্মিংহামের একটি অভিজাত ভেন্যুতে আয়োজিত চতুর্থ ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতিতে বার্মিংহাম মেইলের সম্পাদক গ্রাহাম ব্রাউনের হাত থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়েছে আমার।
এই স্বীকৃতির জন্য দেশ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ড. মিসবাউর রহমান ভাই এবং পুরো আয়োজক টিমের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
বিশেষ ধন্যবাদ জানাই শিপু ভাই ও মাসুম ভাইকে। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে উৎসাহ দেওয়া এবং নেপথ্যে সহযোগিতা করার জন্য তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
একই সঙ্গে অত্যন্ত সক্রিয় ও অনুপ্রেরণাদায়ী সাংবাদিক এ এস এম মাসুমকে ‘মিডিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ অর্জনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।
অনেকেই জানেন, আমি প্রায় ১৭ বছর চ্যানেল এস-এ কাজ করেছি। এ সময়ে চিফ রিপোর্টার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছি। পাশাপাশি লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবে প্রায় দুই দশক স্বেচ্ছাসেবামূলক দায়িত্ব পালন করেছি। এ সময়ে কোষাধ্যক্ষ, সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ হয়েছে। নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মী ও নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ক্লাবের নানা অর্জনে অবদান রাখতে পেরে আমি গর্বিত।
আমি কখনো পুরস্কার কিংবা স্বীকৃতির প্রত্যাশায় কাজ করিনি। আমার কাজের মূল প্রেরণা সব সময়ই ছিল একটাই—সত্যিকার অর্থে অবদান রাখা, কমিউনিটির সেবা করা এবং ছোট কিংবা বড় পরিসরে হলেও ইতিবাচক ও অর্থবহ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা।























